• ৯ চৈত্র ১৪৩২, মঙ্গলবার ২৪ মার্চ ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Saraswati Puja

উৎসব

কালনায় থিমের পুজো ছেড়ে টাইপ স্কুলের সরস্বতী পুজোয় মাতলেন প্রাক্তন ছাত্ররা

এ যেন রকেট কে উপেক্ষা করে ঢেঁকিতে চড়ে বসা। হ্যাঁ, সে রকমই এক অসাধারণ দৃশ্য দেখা গেল পুর্ব বর্ধমান জেলার কালনা বা অম্বিকা কালনা শহরে। মন্দির শহর কালনার জনপ্রিয়তম পুজোর মধ্যে অন্যতম মহিষমর্দিনী পুজো। এই পূজোয় প্রচুর জনাসমাগম হয়। এর সাথে সাথে শহরের সব চেয়ে জনপ্রিয় সরস্বতী পুজো। শহরের আনাচে কানাচে থিম পুজোর রমরমা। কোনও ক্লাবের ১০ লাখ বাজেট তো কারুর ২৫।সেই সব চাকচিক্য জাঁকজমকপূর্ণ থিম পুজো এড়িয়ে একদল মানুষ ভিড় জমিয়েছেন পলেস্তারা খসে পরা, রঙচটা, নিরিবিলি এক কর্মমন্দিরে। তাঁরা তাঁদের জীবনের আনন্দ খুঁজে নিলেন তাঁদের জীবন ও জীবিকার সাথে একান্ত ভাবে জড়িয়ে থাকা সেই পুরানো টাইপস্কুলে। তাঁদের সকলেই আজ প্রতিষ্ঠিত স্ব স্ব ক্ষেত্রে। কেউ রাজ্য সরকারি আধিকারিক তো কেউ কেন্দ্রীয় সরকারি আধিকারিক। তাঁদের অনেকেই রাজ্যের বিভিন্ন জায়গায় সরকারি দপ্তরে কর্মরত। কেউ কেউ অবসরপ্রাপ্ত। কিন্তু তাঁরা সকলেই এক সুত্রে গাঁথা মালার মত হাজির হয়েছিলেন অমল স্যারের (অমল কুমার শীল) মর্ডান কমার্সিয়াল ইনস্টিটিউট। এবছর তাঁরা তাঁদের টাইপ স্কুলের সরস্বতী পুজোর সুবর্ণ জয়ন্তী পালন করলেন। সংস্থার কর্নধার অমল শীল জনতার কথা কে জানান এবার পুজোটা নমো নমো করে সারার পরিকল্পনা ছিল। প্রতি বছরের ন্যায় ছাত্র ছাত্রীদের খাওনোর কোনও ভাবনা ছিলনা।অমল শীল বলেন, কম্পিউটারের আগমনের পর থেকে টাইপ রাইটারের জৌলস ক্রমশই হারাতে থাকে। নিত্যদিন নানাবিধ প্রযুক্তি আবিষ্কারের ফলে ক্রমশ পিছু হাটতে থাকে টাইপ। এক সময় আমাদের এই স্কুলে ২৫০ ওপর ছাত্র-ছাত্রী ছিল। গমগম করত এই পুজো। এখন মেরেকেটে ২০ জনের মত! তাঁরা সকলেই স্টেনো শর্টহ্যান্ড শেখে। তিনি আরও জানান তাঁর এই স্কুল থেকে কমপক্ষে ৫০ থেকে ৬০ জন ছাত্র সরকারি চাকরি পেয়েছে। তাঁরা সকলেই সুপ্রতিষ্ঠিত। তাঁদের উদ্যোগেই এবছর পুজো হচ্ছে। তারাই খাওয়া দাওয়ার ব্যবস্থা করেছে বলে জানান অমল বাবু।অমল শীল জানান, তার ছাত্ররা কর্ম সুত্রে অনেক দূরে দূরে থাকেন। তা স্বত্তেও এই পুজোতে হাজির হয়েছেন। তিনি জানান কেন্দ্রীয় সরকারি আধিকারিক পদে কর্মরত শুভাশিস ব্যানার্জী এসেছিলেন কালনা থেকে ১২০ কিমি দূর দূর্গাপুর শহর থেকে। অমল শীল জানান, কিছুদিন আগেও কোলকাতা হাইকোর্টে এক স্টেনো পরীক্ষায় এই স্কুলেরই ছাত্র কালনা শহরের দেবজ্যোতি ব্যানার্জী প্রথম স্থান লাভ করেন।ওই ইনস্টিটিউট-এর এক প্রাক্তন ছাত্র, অবসরপ্রাপ্ত রাজ্য সরকারি আধিকারিক দেবাশিষ গোস্বামী জনতার কথাকে জানান, অমল স্যার র প্রাণ এই ইনস্টিটিউট। তিনি অর্থলাভের জন্য ওই ইনস্টিটিউট-এ আসেন না। ওটা ওনার প্যাশন। দেবাশিষ গোস্বামী জানান শত ব্যস্ততার মধ্যেও সরস্বতী পুজোতে একবার এখানে আসার চেষ্টা করি। তিনি জানান, আজ আমি যে যায়গায় তার জন্য এই ইনস্টিটিউট-এর অবদান অনেকেংশেই।বিদ্যা ও জ্ঞানের অধিষ্ঠাত্রী দেবী হলেন সরস্বতী। হিন্দু ধর্মমতে সৃষ্টির দেবতা ব্রহ্মাই প্রথম তাঁর স্ত্রী সরস্বতীর আরাধনা করেন। মর্ডান কমার্সিয়াল ইনস্টিটিউট-র অমল শীল তার ছাত্রদের কাছে ব্রহ্মা। তাঁরা মনে করেন তাঁদের কর্মজগতের সৃষ্টিকর্তা তো অমল শীল-ই। তাঁর ছাত্রকুলের কাছে ৭৫টি বসন্ত অতিক্রান্ত অমল বাবুর নাম চিরকাল অমলীন হয়েই থাকবে এটাই তাঁদের আশা।

ফেব্রুয়ারি ১৫, ২০২৪
বিনোদুনিয়া

সিনেমা সরস্বতী নিয়ে জমজমাট অনুষ্ঠান

গত বছরের মতো এই বছরেও সরস্বতী পুজোকে স্মরণীয় করে রাখল সিনেমা সরস্বতী। এই বছর ইন্দ্রপুরী স্টুডিওর বিপরীতে ৯ নম্বর স্টুডিওতে অনুষ্ঠিত হল সিনেমা সরস্বতী। সিনেমা সরস্বতী আয়োজনের মূল ভাবনা পরিচালক শিলাদিত্য মৌলিকের। গতবছর ভারতলক্ষ্মী স্টুডিওতে অনুষ্ঠিত হয়েছিল সিনেমা সরস্বতী। এবার ৯ নম্বর স্টুডিওতে সিনেমা সরস্বতী আরও জমকালোভাবে করা হয়। মূল আকর্ষণ ছিল টলি তারকা যশ ও নুসরতের উপস্থিতি। এছাড়া উপস্থিত ছিলেন ছোটপর্দা ও বড়পর্দার একঝাঁক তারকা। সরস্বতী পুজোর দিন ইন্ডাস্ট্রির সকলে মিলে হইহই করে ৯ নম্বর স্টুডিওতে সরস্বতী পুজো উদযাপন করলেন। খিচুড়ি, বেগুনি, লাবড়ার তরকারি সরস্বতী পুজোর জমাটি খাওয়াদাওয়া ছিল এদিন। এছাড়া দেব অ্যান্ড টি থেকে ছিল মাটির ভাঁড়ের স্পেশাল চা।সন্ধ্যাবেলায় গান গেয়ে সকলকে মাতিয়ে দেন তৃষা চ্যাটারজি। মন কেমনের জন্মদিন গেয়ে সকলের মন জিতে নিলেন মেখলা দাশগুপ্ত। গান গাইলেন সাহেব চট্টোপাধ্যায়। টুম্পা সোনা গানে নাচলেন টুম্পা সোনা খ্যাত সুমনা দাস। সকাল থেকেই তারকাদের ভিড় জমা হয়। রাত পর্যন্ত ছিল সেই ভিড়। সন্ধ্যাবেলায় আসেন রুদ্রনীল ঘোষ। এছাড়া সাধারণ মানুষদের উপস্থিতিও হয়েছিল। অনেকেই প্রিয় তারকাদের দেখতে ৯ নম্বর স্টুডিওতে ভিড় জমান তারা। যশ দাশগুপ্তর ভক্তরা এসে তাদের সঙ্গে ছবি তুলে খুশি মনে বাড়ি ফেরেন। তাই বলা যায় শিল্পীদের এই সিনেমার সরস্বতী গত বছরের তুলনায় এই বছর আরও বেশি জমজমাট হয়ে গেল।

ফেব্রুয়ারি ০৬, ২০২২
রাজ্য

বীরভূমের ৩০০ বছরের প্রচীন চক্রবর্তী বাড়ির একচালে পাঁচ প্রতিমার সরস্বতী পুজা

সারা রাজ্যে মহা ধুম ধামের সাথে পালিত হচ্ছে বাগদেবীর সরস্বতী পুজো। করোনা-র তৃতীয় ঢেউ-র ভ্রূকুটি এড়িয়ে কচি কাঁচারা মেতে উঠেছে মণ্ডপে মণ্ডপে। হটাৎ সৃষ্টি হওয়া নিম্নচাপের চোখরাঙ্গানিতে ক্ষণিকের ভয় কেটে যাওয়ার পর রাস্তায় নেমে পড়েছে কচি কাঁচারা। পাড়ার ক্লাব থেকে শুরু করে বাড়িতে, স্কুলে স্কুলে ছুটে চলেছে বাঁধভাঙা কিশোরে-কিশোরী-র দল।বীরভুম জেলার তিনশত বছরের প্রচীন হেতমপুরের চক্রবর্তী বাড়ির সরস্বতী পুজার সুচনা হল আজ। প্রথম এই পুজা শুরু হয় হেতমপুরের রাজবাড়ীতে, পরে চক্রবর্তী পরিবার তাঁদের নিজেদের বসতভূমিতে সেই পুজো আয়জন করে। এখানে নীলবসনা দেবী সরস্বতী আরাধনা করা হয়। স্থানীয় সরস্বতী পুকুর থেকে তিনটি ঘট ভর্তি করে এনে এই পুজোার সুচনা হয়। পঞ্চমী থেকে শুরু হয়ে চারদিন ব্যাপী চলে এই পুজো। অষ্টমী-র দিন দেবীর নিরঞ্জন করা হয়।বংশ পরম্পরায় ৩০০ বছর ধরে চলছে এই নীলবসনা দেবী সরস্বতী আরাধনা। কর্মসুত্রে এই পরিবারের অনেক সদস্যই ছড়িয়ে পরেছেন দেশে-বিদেশে। এই পুজো উপলক্ষে সকলে মিলিত হন। চক্রবর্তী পরিবারের সদস্য মনোজ চক্রবর্তী জনতার কথাকে জানান এই পরিবারের আদি পুরুষ কুচিল চক্রবর্তী এই পুজোর প্রতিষ্ঠাতা। তিনি বলেন, আমরা সাধারণভাবে যে দেবী সরস্বতী মুর্তি দেখতে অভ্যস্ত তার থেকে এটা অনেকটাই আলাদা, একটি একচালার কাঠামো-তে তিনটি দেবী মুর্তি থাকে তার মাঝখানে অধিষ্ঠাত্রী নীলবসনা সরস্বতী তাঁর ডান দিকে ভগবতী অর্থাৎ মা দুর্গা এবং বাম দিকে মা লক্ষ্মী। তিন দেবীর দুই দিকে থাকেন জয়া ও বিজয়া।হেতমপুরের রাজপরিবারের সরস্বতী পুজোমনোজ বাবু আরও জানান, এখানে তিনটি মুর্তির বা ত্রিমুর্তি-র অর্থ দেবী সরস্বতী-জ্ঞানের প্রতীক, ভগবতী বা দুর্গা শক্তির প্রতীক আর মা লক্ষ্মী হলেন বিত্ত বা সম্পদের প্রতীক। জয়া ও বিজয়া হলেন সৌন্দর্যের প্রতীক। তিনি জানান তাঁদের এই পূজোয় তিনটি ঘট স্থাপন করা হয়, একটি দেবী সরস্বতীর, বাকি দুটি ভগবতী অর্থাৎ মা দুর্গা ও মা লক্ষ্মীর। তাঁদের প্রথামত বিসর্যনের সময় দেবী সরস্বতী ও ভগবতী-র ঘটদুটি বিসর্যন করে দিলেও দেবী লক্ষ্মীর ঘটটি তাঁরা বাড়িতে ফিরিয়ে নিয়ে আসেন। মনোজ বাবু জানান, তাঁদের পরম্পরা অনুযায়ী লক্ষ্মী র ঘট বিসর্জন দেওয়া যায় না।চক্রবর্তী বাড়ির সদস্য অধ্যাপক কুনাল চক্রবর্তী জনতার কথা কে জানান, আমরা সারাবছর কর্মসুত্রে গ্রামের বাইরে থাকি। মাঝে মাঝে প্রয়োজনে এলেও পরিবারের সকলের সাথে দেখা-সাক্ষাৎ হয় না। এই পুজোতে মোটামুটি সকলেই মিলিত হওয়ার চেষ্টা করি। আমাদের এই সরস্বতী নীল সরস্বতী নামে পরিচিত। বহু প্রাচীন এই পুজো। তিনি বলেন বৈদিক মতে হোম যজ্ঞ সহকারে পরিবারের সকলে মিলে চারদিন ধরে মহা ধুমধামের সাথে এই পুজার্চনা চলে। যে পুকুর থেকে দেবী-র ঘট আনা হয় তারও এক বিশেষত্ব আছে, এই পুষ্করিণী-টি কোনও সময়ে জল শুকায় না সারা বছরই জলপূর্ণ থাকে, এছাড়াও এই পুকুরের দক্ষিণ প্রান্তে একটি সুড়ঙ্গ আছে যেটি শেষ হয়েছে রাজবাড়ীতে। কথিত আছে রাজবাড়ীতে যখন এই পুজো হত, তখন পুজো উপলক্ষে যাত্রা, কবিগান, কীর্তন-র মহা আয়োজন হত। এখন সে অর্থে অনেকটাই মলিন। তাও পরম্পরা বজায় রেখে পূজো অর্চনা চলছে। অষ্টমীর দিন ঘট বিসর্যনের পর আমরা প্রতিবেশী সকলকে মায়ের খিচুরী ভোগ বিতরণ করে থাকি।পরিবারের পুত্রবধূ অধ্যাপিকা ইন্দ্রানী চক্রবর্তী (মুখার্জী) আমাদের জানান, কর্মসুত্রে সারাবছর বাইরে থাকতে হয়। বিবাহ সুত্রে এই পরিবারের আসার পর থেকে প্রতিবার-ই আমরা সপরিবারে হেতমপুরে আসি। পরিবারের সকলে মিলে চারদিন ধরে খুব আনন্দ করি, সরস্বতী পুজা উপলক্ষে এখানে একটি মেলা বসে, বাচ্চারা ওই মেলায় গিয়ে খুব মজা করে। ইন্দ্রানী জনতার কথা কে জানান, দেবী সরস্বতীর কাছে একটাই পার্থনা, করোনা-র চোখরাঙানি যত তাড়াতাড়ি সম্ভব যেন কেটে যায়। বিদ্যলয়, কলেজগুলো যেন আবার আগের মতোই আলোড়িত হয়ে ওঠে কচি-কাঁচাদের কলতানে।

ফেব্রুয়ারি ০৫, ২০২২
বিনোদুনিয়া

‘সিনেমা সরস্বতী’ তে চমক যশ-নুসরত

নিউ থিয়েটার্স স্টুডিয়ো ১ এ এবারের সরস্বতী পুজো সিনেমা সরস্বতী উপলখ্যে বিশেষ আয়োজন করা হচ্ছে। এমনটাই জানিয়েছেন পরিচালক শিলাদিত্য মৌলিক। এবারের সরস্বতী পুজোর চমক থাকবে নুসরত জাহান ও যশ দাশগুপ্ত। সেই খবর সোশ্যাল মিডিয়াতেও শেয়ার করেছেন শিলাদিত্য। নুসরত ও যশের উপস্থিতি এবারের নিউ থিয়েটার্স স্টুডিয়ো ১ এর সরস্বতী পুজোকে আলাদা মাত্রা দেবে। এছাড়া জানা গেছে কে কে ঠাকুর আনতে যাবেন, কে কে সকালে অঞ্জলি দেবেন সব কিছুই অভিনেতা-অভিনেত্রীরা ঠিক করে নিচ্ছেন। গত বছরের পুজোয় উপস্থিত ছিলেন একঝাঁক তারকা। এদের মধ্যে ছিলেন প্রিয়াঙ্কা সরকার, সায়ন্তনী গুহ ঠাকুরতা, অরিন্দম শীল, ইন্দ্রাশিস আচার্য, শুভ্রজিৎ মিত্র, সায়নী ঘোষ, সাহেব চট্টোপাধ্যায় প্রমুখ। পরিচালক আশা করছেন এবারেও তারকাদের সমাবেশ থাকবে। গত বছরের মতোই ভোগে খিচুড়ি, লাবড়া, কুলের চাটনি, নলেন গুড়ের পায়েস থাকবে জানিয়েছেন অন্যতম আয়োজক শিলাদিত্য। সরস্বতী পুজো উপলখ্যে আজ সন্ধ্যে সাতটায় ফেসবুক লাইভের আয়োজন করছেন পরিচালক। লাইভে উপস্থিত থাকবেন পাঁচ পরিচালক প্রেমেন্দু বিকাশ চাকী, অভিজিৎ গুহ, শিলাদিত্য মৌলিক, অর্জুন দত্ত এবং অরুণ রায়।

ফেব্রুয়ারি ০২, ২০২২
রাজ্য

এক ধাক্কায় পারদ নামল তিন ডিগ্রি! স্থায়ীত্ব নিয়ে ফের চিন্তায় হাওয়া অফিস

পশ্চিমী ঝঞ্ঝার কবলে পড়ে এই বছর দফারফা হয়েছে শীতের। বৃহস্পতিবারের থেকে শুক্রবার সর্বোচ্চ এবং সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ৩ ডিগ্রি কমেছে। শুক্রবার থেকে সোম জাঁকিয়ে শীত পড়তে চলেছে বাংলায়। তেমনই বার্তা দিল আলিপুরের আবহাওয়া দপ্তর। শুক্রবার পারদের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ২৩ ডিগ্রি এবং সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১৩ ডিগ্রির কাছাকাছি থাকতে পারে বলেই আবহবিদরা জানিয়েছেন। জেলায় পারদ নামতে পারে ১০-১১ ডিগ্রি সেলসিয়াসে। ফলে, বেশ জাঁকিয়েই অনুভূত হবে শীত।ধীর গতিতে আসা শীত আপাতত বেশ কিছুদিন স্থায়ী হবে। কিন্তু, কতদিন তা নিশ্চিত হওয়া যাচ্ছে না। কারণ, আরও একটি ঝঞ্ঝার কোপে ও বঙ্গোপসাগরে প্রচুর জ্বলীয় বাষ্প তৈরি হওয়ায় কলকাতা-সহ দক্ষিণবঙ্গের জেলাগুলিতে আগামী ৪ ফেব্রুয়ারি ও ৫ ফেব্রুয়ারি মাঝারি থেকে ভারী বৃষ্টিপাতের আশঙ্কাও রয়েছে। মাঘের শুক্লা পঞ্চমী তিথিতে অর্থাৎ সরস্বতী পুজোয় ফের বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে।তবে ১ ফেব্রুয়ারি থেকেই বাড়তে পারে তাপমাত্রা। ফেব্রুয়ারির প্রথম সপ্তাহে মাঝারি বৃষ্টিপাত শীতের শেষটুকু বাঁচানোর চেষ্টা করলেও দ্বিতীয় সপ্তাহ থেকে রাজ্য থেকে পাকাপাকি ভাবে বিদায় নেবে শীত। দাপট কমবে কনকনে উত্তুরে বাতাসের। সেই জায়গা নেবে দখিনা বাতাস। রাজ্যে আগমন হবে বসন্তের। তামিলনাড়ুর উপরেও তৈরি হয়েছে ঘূর্ণাবর্ত। তার প্রভাবে সরস্বতী পুজোয় বৃষ্টি হতে পারে।

জানুয়ারি ২৮, ২০২২
কলকাতা

বাগদেবীর আরাধনায় মেতেছে বাংলা

করোনা অতিমারির আতঙ্কে কেটেছে গোটা একটি বছর। সব বিষাদ ভুলিয়ে সরস্বতী পুজোয় মেতে উঠেছে বাংলা।আজ সরস্বতী পূজা। বসন্ত পঞ্চমীর পূণ্যতিথিতে বাগদেবীর আরাধনায় মেতে উঠেছে গোটা বাংলা। খুলে গিয়েছে স্কুলও। তাই কোভিড বিধি মেনেই রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তের স্কুলেও পুজোর আয়োজন করা হয়েছে। পড়ুয়ারা নিজেরা গিয়ে সরস্বতীর মূর্তি নিয়ে এসেছেন বাড়িতে, স্কুলে, কলেজে। আপাতত করোনার ভয়কে জয় করে বাঙালির ভ্যালেন্টাইস্ ডে-তে মেতে উঠেছে বাংলা। সোমবার বাগদেবীর আরাধনায় ছাত্র যৌবনের উদ্দেশ্যে নতুন গান লিখেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এই গানের মাধ্যমেই সবাইকে বসন্ত পঞ্চমী ও সরস্বতী পুজোর শুভেচ্ছা জানালেন মুখ্যমন্ত্রী ।সোমবার মুখ্যমন্ত্রীর ইউটিউব চ্যানেল থেকে গানটি প্রকাশিত হয়েছে। গানটি গেয়েছেন পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য সঙ্গীত অ্যাকাডেমির শিল্পীরা। সুর দিয়েছেন দেবজ্যোতি বোস। আর গানটির রচনা এবং ভাবনা খোদ মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের। গানটি প্রকাশ করার পর ফেসবুক পোস্টে মুখ্যমন্ত্রী লেখেন, বসন্ত পঞ্চমীর পুণ্যলগ্নে আপনাদের সকলের জন্য রইল আমার রচনা ও ভাবনায়, দেবজ্যোতি বোসের সুরে পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য সঙ্গীত অ্যাকাডেমির শিল্পীদের গাওয়া একটি গান। সকলকে জানাই বসন্ত পঞ্চমীর ও সরস্বতী পুজোর আন্তরিক শুভেচ্ছা। বাংলা মেতে উঠুক সম্প্রীতির সুরে।এদিকে পূর্ব বর্ধমানে বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলার সরকারি অনুমতি মেলেনি। তাই এদিন বর্ধমান মডেল স্কুলে ছাত্র-ছাত্রীদের অনুপস্থিতিতে সরস্বতী পুজো অনুষ্ঠিত হয়।

ফেব্রুয়ারি ১৬, ২০২১

ট্রেন্ডিং

কলকাতা

ভোটের আগে বড় চমক? ভবানীপুর কেন্দ্রে প্রচার করবেন প্রধানমন্ত্রী

প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর বাংলায় ভোট প্রচারের শেষ কর্মসূচি নিয়ে কিছুটা আভাস মিললেও প্রথম কর্মসূচি এখনও স্পষ্ট নয়। এই নিয়ে রাজনৈতিক মহলে জল্পনা তুঙ্গে উঠেছে। বঙ্গ বিজেপি নেতৃত্ব চাইছে, আগামী ছাব্বিশ মার্চ থেকেই বাংলায় প্রচার শুরু করুন প্রধানমন্ত্রী। তবে এই বিষয়ে এখনও পর্যন্ত প্রধানমন্ত্রীর দফতর থেকে কোনও আনুষ্ঠানিক ঘোষণা করা হয়নি।এদিকে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে, এপ্রিলের শুরুতেই উত্তরবঙ্গে আসতে পারেন নরেন্দ্র মোদী। বিশেষ করে শিলিগুড়িতে তাঁর একটি রোড শো হওয়ার সম্ভাবনার কথাও শোনা যাচ্ছে। যদিও এই কর্মসূচি নিয়েও এখনও নিশ্চিত কিছু জানা যায়নি।ভোটের আগে প্রধানমন্ত্রীর সফরকে ঘিরে রাজ্যের রাজনৈতিক আবহ ক্রমশ গরম হচ্ছে। কবে, কোথা থেকে প্রচার শুরু হবে, তা জানতে আগ্রহ বাড়ছে সাধারণ মানুষের মধ্যেও। সব মিলিয়ে মোদীর বাংলায় আগমন ঘিরে উত্তেজনা ক্রমেই বাড়ছে।

মার্চ ২৩, ২০২৬
রাজ্য

আজই বেরোচ্ছে সাপ্লিমেন্টরি তালিকা! আপনার নাম আছে তো? নাহলে বিপদ

আজ প্রকাশিত হতে চলেছে ভোটার তালিকার প্রথম সম্পূরক তালিকা। এই তালিকায় প্রায় আটাশ লক্ষ ভোটারের নাম থাকার সম্ভাবনা রয়েছে (Supplementary List)। নির্বাচন কমিশন সূত্রে জানা যাচ্ছে, এখনও বিবেচনাধীন তালিকায় রয়েছে ষাট লক্ষেরও বেশি নাম। রবিবার সন্ধ্যা পর্যন্ত প্রায় আটাশ লক্ষ নামের নিষ্পত্তি করা হয়েছে। ফলে এখনও প্রায় বত্রিশ লক্ষ নাম বাকি রয়েছে (Supplementary List)।কমিশন সূত্রে আরও জানা গিয়েছে, মোট নামের প্রায় চল্লিশ শতাংশ বাদ দেওয়া হতে পারে। সেই হিসেবে প্রথম সম্পূরক তালিকাতেই প্রায় দশ লক্ষ ভোটারের নাম বাদ পড়ার আশঙ্কা রয়েছে (Supplementary List)। এই তালিকা আজ বিকেলের মধ্যেই প্রকাশ করা হবে।এই তালিকায় দুটি ভাগ থাকবে। একটি অংশে থাকবে নতুন করে যুক্ত হওয়া ভোটারদের নাম, অন্য অংশে থাকবে যাদের নাম বাদ গিয়েছে তাদের তালিকা। ফলে একই তালিকার মধ্যেই সংযোজন এবং বিয়োজনদুই ধরনের তথ্য পাওয়া যাবে (Supplementary List)।সাধারণ মানুষ অনলাইন এবং অফলাইন দুইভাবেই এই তালিকা দেখতে পারবেন। অনলাইনে নির্বাচন কমিশনের নির্দিষ্ট ওয়েবসাইটে গিয়ে নিজের নাম খোঁজা যাবে। সেখানে রাজ্য এবং বছর নির্বাচন করে সম্পূরক তালিকার অপশনে গিয়ে পরিচয়পত্র নম্বর দিয়ে নাম খুঁজতে হবে। এছাড়া রাজ্যের মুখ্য নির্বাচন আধিকারিকের ওয়েবসাইট এবং মোবাইল অ্যাপের মাধ্যমেও এই তথ্য পাওয়া যাবে (Supplementary List)।অফলাইনে তালিকা দেখতে চাইলে জেলাশাসকের দফতর, উপযুক্ত প্রশাসনিক অফিস অথবা স্থানীয় বুথে গিয়ে তা দেখা যাবে। প্রতিটি বুথেই তালিকা টাঙিয়ে দেওয়া হবে বলে জানানো হয়েছে।যদি কারও নাম বাদ পড়ে, তাহলে তা তালিকার বিয়োজন অংশে দেখা যাবে। নাম বাদ গেলে নির্দিষ্ট ট্রাইবুনালে আপিল করার সুযোগ রয়েছে। অবসরপ্রাপ্ত বিচারকদের নিয়ে গঠিত একাধিক ট্রাইবুনালে এই বিষয়ে আবেদন জানানো যাবে।এই তালিকা প্রকাশকে কেন্দ্র করে সাধারণ মানুষের মধ্যে আগ্রহ ও উদ্বেগ দুইই বাড়ছে। কারণ ভোটার তালিকায় নাম থাকা বা না থাকা সরাসরি ভোটাধিকারকে প্রভাবিত করে।

মার্চ ২৩, ২০২৬
দেশ

১৪.২ কেজির এলপিজিতে ভর্তি গ্যাস নাও দেওয়া হতে পারে! সঙ্কটে নতুন করে ভাবছে কেন্দ্র

হরমুজ প্রণালী দিয়ে তেলের ট্যাঙ্কার ভারতে পৌঁছাতে শুরু করলেও এলপিজি সঙ্কট পুরোপুরি কাটেনি। এই পরিস্থিতিতে গ্যাসের সঠিক বণ্টন নিশ্চিত করতে নতুন পরিকল্পনা নিতে পারে দেশের তেল বিপণন সংস্থাগুলি। সূত্রের খবর, গৃহস্থালির ব্যবহারের জন্য যে ১৪.২ কেজির এলপিজি সিলিন্ডার দেওয়া হয়, তাতে পূর্ণ পরিমাণ গ্যাস দেওয়া নাও হতে পারে।জানা যাচ্ছে, ভবিষ্যতে একটি সিলিন্ডারে প্রায় দশ কেজি গ্যাস ভরে দেওয়া হতে পারে। এর ফলে কম গ্যাস দিয়ে বেশি সংখ্যক গ্রাহকের মধ্যে বণ্টন করা সম্ভব হবে। সীমিত মজুতের কারণে যাতে সবাই গ্যাস পায়, সেই লক্ষ্যেই এই পদক্ষেপের কথা ভাবা হচ্ছে।ইরান, আমেরিকা এবং ইজরায়েলের সংঘাত শুরু হওয়ার পর হরমুজ প্রণালীতে সমস্যা তৈরি হয়েছে। এর প্রভাব পড়েছে ভারতে গ্যাস সরবরাহেও। দেশের মোট চাহিদার একটি বড় অংশ বিদেশ থেকে আসে। ফলে সরবরাহে সামান্য বাধা এলেই সঙ্কট তৈরি হচ্ছে।গত সপ্তাহে কয়েকটি জাহাজ হরমুজ প্রণালী পেরিয়ে ভারতে পৌঁছেছে। বর্তমানে যে পরিমাণ গ্যাস মজুত রয়েছে, তা দিয়ে কিছুদিন চাহিদা মেটানো সম্ভব। তবে নতুন করে কবে গ্যাস আসবে, তা এখনও স্পষ্ট নয়। অনেক জাহাজ এখনও পারস্য উপসাগরে অনুমতির অপেক্ষায় রয়েছে।ভারতে প্রতিদিন বিপুল পরিমাণ এলপিজি ব্যবহার হয়। সাধারণত একটি পূর্ণ সিলিন্ডার এক মাসেরও বেশি সময় চলে যায়। কিন্তু যদি গ্যাসের পরিমাণ কমিয়ে দেওয়া হয়, তাহলে তা কম দিন চলবে। যদিও এতে সবার মধ্যে গ্যাস বণ্টন সহজ হবে।এছাড়া যদি সিলিন্ডারে গ্যাসের পরিমাণ কমানো হয়, তাহলে তার দামও সেই অনুযায়ী কমানো হতে পারে বলে জানা যাচ্ছে। এই নতুন পরিকল্পনা বাস্তবায়িত হলে সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনে তার প্রভাব পড়তে পারে।

মার্চ ২৩, ২০২৬
দেশ

যুদ্ধের ধাক্কা! এক লহমায় ধসে পড়ল শেয়ার বাজার, উধাও লক্ষ কোটি টাকা

যুদ্ধের উত্তেজনার সরাসরি প্রভাব পড়ল শেয়ার বাজারে। ইরান, ইজরায়েল এবং আমেরিকার সংঘাতের জেরে তেলের দাম হু হু করে বাড়ছে। সেই সঙ্গে অনিশ্চয়তার ছায়া নেমে এসেছে শেয়ার বাজারেও। সপ্তাহের প্রথম দিনেই বাজার খুলতেই বড় ধস নামল।সোমবার সকালে বাজার খোলার কিছুক্ষণের মধ্যেই দ্রুত নেমে যায় সেনসেক্স। সকাল প্রায় সাড়ে নটার সময় সূচক নেমে দাঁড়ায় প্রায় তেহাত্তর হাজারের সামান্য উপরে। এক ধাক্কায় প্রায় দেড় হাজার পয়েন্ট পড়ে যায়। একই সময়ে নিফটিও চারশোর বেশি পয়েন্ট হারিয়ে বাইশ হাজার সাতশোর কাছাকাছি নেমে আসে।এই ধসের মধ্যে খুব কম সংখ্যক সংস্থাই লাভের মুখ দেখেছে। তেলের সঙ্গে যুক্ত একটি সংস্থার শেয়ারের দাম কিছুটা বেড়েছে। অন্যদিকে বড় বড় ব্যাঙ্কের শেয়ারে পতন দেখা গিয়েছে। তথ্য প্রযুক্তি ক্ষেত্রেও চাপ স্পষ্ট, একাধিক সংস্থার শেয়ারের দাম কমেছে।অটোমোবাইল এবং ভোক্তা পণ্যের সংস্থাগুলিও এই ধাক্কা থেকে বাঁচতে পারেনি। একাধিক বড় সংস্থার শেয়ারের দাম কমেছে। নির্মাণ এবং পরিকাঠামো ক্ষেত্রের সংস্থাগুলির শেয়ারেও পতন দেখা গিয়েছে।এই পতনের জেরে বাজার থেকে এক ধাক্কায় বিপুল অর্থ উধাও হয়ে গিয়েছে। কয়েক লক্ষ কোটি টাকার সমপরিমাণ মূল্য কমে গিয়েছে বলে হিসাব মিলছে। কয়েক দিন আগেও যে বাজার মূলধন ছিল অনেক বেশি, তা আজ উল্লেখযোগ্যভাবে কমে গেছে।শুধু ভারতেই নয়, আন্তর্জাতিক বাজারেও একই চিত্র দেখা যাচ্ছে। জাপান এবং দক্ষিণ কোরিয়ার শেয়ার বাজারেও বড় পতন হয়েছে। বিশ্ব জুড়ে বিনিয়োগকারীদের মধ্যে উদ্বেগ বাড়ছে।শেয়ার বাজারের পাশাপাশি সোনার দামেও বড় পতন হয়েছে। গত কয়েক মাসের মধ্যে সর্বনিম্ন স্তরে নেমে এসেছে দাম। রুপোর দামও কমেছে। তবে বিপরীত চিত্র দেখা যাচ্ছে তেলের ক্ষেত্রে। তেলের দাম ক্রমাগত বেড়েই চলেছে এবং এক মাসের মধ্যে উল্লেখযোগ্য বৃদ্ধি হয়েছে।বিশেষজ্ঞদের মতে, এই পরিস্থিতি দীর্ঘস্থায়ী হলে বিশ্ব অর্থনীতির উপর তার গভীর প্রভাব পড়তে পারে। এমনকি অতীতের বড় তেল সঙ্কটের থেকেও এই পরিস্থিতি গুরুতর হয়ে উঠতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

মার্চ ২৩, ২০২৬
বিদেশ

হরমুজে চমক! জাহাজ ছাড়তে কোটি কোটি টাকা নিচ্ছে ইরান?

যুদ্ধের পরিস্থিতির মধ্যেই হরমুজ প্রণালী কার্যত নিয়ন্ত্রণে রেখে বিশ্বকে চাপে রাখছে ইরান। তবে এই কড়াকড়ির মধ্যেও কিছু নির্দিষ্ট দেশের জাহাজ চলাচলের অনুমতি দেওয়া হচ্ছে বলে জানা যাচ্ছে। কিন্তু সেই অনুমতির বিনিময়ে মোটা অঙ্কের অর্থ নেওয়া হচ্ছে বলেই দাবি উঠেছে।সূত্রের খবর, প্রতিটি জাহাজকে হরমুজ প্রণালী পার হতে প্রায় দুই মিলিয়ন মার্কিন ডলার দিতে হচ্ছে ইরানকে। ভারতীয় মুদ্রায় যার পরিমাণ প্রায় উনিশ কোটি টাকা। এই অর্থকে যুদ্ধ খরচের অংশ হিসেবেই দেখছে তেহরান।একটি বিদেশি সংবাদপত্রে প্রকাশিত প্রতিবেদনে ইরানের জাতীয় সুরক্ষা কমিটির সদস্য আলাদিন বোরোজের্দির বক্তব্য উল্লেখ করা হয়েছে। তাঁর দাবি, যুদ্ধের বিপুল খরচ সামলাতে হরমুজ দিয়ে যাওয়া জাহাজগুলির কাছ থেকে এই অর্থ নেওয়া হচ্ছে। তাঁর মতে, এর মাধ্যমেই বোঝা যায় এই গুরুত্বপূর্ণ প্রণালীর উপর ইরানের কতটা নিয়ন্ত্রণ রয়েছে।উল্লেখ্য, গত ফেব্রুয়ারির শেষ থেকে ইরান, আমেরিকা এবং ইজরায়েলের মধ্যে সংঘাত শুরু হয়েছে। পরিস্থিতি ক্রমেই জটিল হয়েছে। ইরানের নেতৃত্ব স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে, হরমুজ প্রণালী নিয়ন্ত্রণ করে তারা বিশ্ব অর্থনীতির উপর চাপ বজায় রাখবে। কারণ এই পথ দিয়েই বিশ্বের বড় অংশের তেল ও গ্যাস সরবরাহ হয়।তবে এই উত্তেজনার মধ্যেও ভারতকে কিছুটা ছাড় দেওয়া হয়েছে বলে জানা যাচ্ছে। ইতিমধ্যেই কয়েকটি জাহাজ হরমুজ পেরিয়ে ভারতে পৌঁছেছে। আন্তর্জাতিক মহলের মতে, এটি ভারতের কূটনৈতিক সাফল্য হিসেবেই দেখা হচ্ছে।কিন্তু এই ছাড়ের পেছনে আর্থিক লেনদেন রয়েছে কি না, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে। ভারতের বিদেশমন্ত্রী এস জয়শংকর জানিয়েছেন, ঐতিহাসিক সম্পর্কের ভিত্তিতেই ইরানের সঙ্গে আলোচনা হয়েছে এবং কোনও অর্থ দেওয়া হয়নি। তবুও ইরানের নেতার মন্তব্যের পর নতুন করে সন্দেহ তৈরি হয়েছে।বিশেষজ্ঞদের মতে, ইরানের উপর আন্তর্জাতিক নিষেধাজ্ঞা থাকায় এই ধরনের অর্থ লেনদেন ভবিষ্যতে আরও জটিল পরিস্থিতি তৈরি করতে পারে। ফলে ভারতীয় জাহাজ চলাচল নিয়েও উদ্বেগ বাড়ছে।

মার্চ ২৩, ২০২৬
বিদেশ

রানওয়েতে দমকল গাড়ির সঙ্গে যাত্রীবাহী বিমানের সংঘর্ষে চাঞ্চল্য! মৃত্যু দুই পাইলটের

নিউ ইয়র্কের একটি ব্যস্ত বিমানবন্দরে বড়সড় দুর্ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। খারাপ আবহাওয়ার মধ্যে গেটের দিকে এগোচ্ছিল একটি যাত্রীবাহী বিমান। সেই সময় রানওয়েতে একটি দমকল গাড়ির সঙ্গে তার সংঘর্ষ হয়। এই ঘটনায় পাইলট এবং সহকারী পাইলট গুরুতর আহত হন এবং পরে তাঁদের মৃত্যু হয়। দমকল গাড়িতে থাকা দুই পুলিশ কর্মীও আহত হয়েছেন, তাঁদের হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে এবং বর্তমানে তাঁদের অবস্থা স্থিতিশীল বলে জানা গেছে।জানা গেছে, মন্ট্রিয়াল থেকে আসা একটি যাত্রীবাহী বিমান ধীরে ধীরে এগোচ্ছিল। সেই সময় প্রায় চল্লিশ কিলোমিটার গতিতে সেটি দমকল গাড়িতে ধাক্কা মারে। দুর্ঘটনার ঠিক আগে বিমান চলাচল নিয়ন্ত্রণ কক্ষ থেকে বারবার সতর্কবার্তা দেওয়া হচ্ছিল বলে জানা গেছে। তবুও শেষ পর্যন্ত সংঘর্ষ এড়ানো যায়নি।এই দুর্ঘটনার পরই বিমানবন্দরে জরুরি অবস্থা জারি করা হয়। কিছু সময়ের জন্য সমস্ত বিমান ওঠানামা বন্ধ রাখা হয়। পরে আগত এবং প্রস্থানের সব বিমান অন্যত্র ঘুরিয়ে দেওয়া হয় বা আগের জায়গায় ফিরিয়ে দেওয়া হয়। বিমানবন্দরের ওয়েবসাইটেও এই পরিবর্তনের কথা জানানো হয়।দুর্ঘটনার সময় বিমানে প্রায় একশো জন যাত্রী ছিলেন। তাঁদের শারীরিক অবস্থার পরীক্ষা করা হচ্ছে। ঘটনাস্থলে জরুরি পরিষেবার কর্মীরা পৌঁছে যান। সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ছবি ও ভিডিওতে বিমানের সামনের অংশে ক্ষতির চিহ্ন দেখা গিয়েছে।এরই মধ্যে জানা যাচ্ছে, এই বিমানবন্দরে আগে থেকেই ভিড় এবং নানা সমস্যার সৃষ্টি হয়েছিল। কর্মীসংকটের কারণে যাত্রীদের দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করতে হচ্ছিল। অনেক কর্মী কাজ বন্ধ রেখেছিলেন এবং যারা কাজ করছিলেন, তাঁদেরও বেতন সংক্রান্ত সমস্যা ছিল।এই পরিস্থিতির পেছনে কেন্দ্রীয় স্তরে অর্থ বরাদ্দ নিয়ে জটিলতা দায়ী বলে জানা গেছে। নিরাপত্তা ব্যবস্থার দায়িত্বে থাকা সংস্থার কাজেও তার প্রভাব পড়েছে। ফলে বিমানবন্দরের পরিষেবা স্বাভাবিক রাখতে সমস্যা দেখা দেয়।এই ঘটনার পর পরিস্থিতি সামাল দিতে অতিরিক্ত কর্মী মোতায়েনের কথা জানানো হয়েছে। তবে পুরো পরিস্থিতি স্বাভাবিক হতে এখনও কিছুটা সময় লাগবে বলে মনে করা হচ্ছে।

মার্চ ২৩, ২০২৬
কলকাতা

আবার মৃত্যু, আবার অভিযোগ! আর জি করে স্ট্রেচার না পেয়ে রোগীর প্রাণ গেল?

ফের বিতর্কের কেন্দ্রে উঠে এল আর জি কর হাসপাতাল। কয়েক দিন আগেই লিফটে আটকে এক ব্যক্তির মৃত্যুকে ঘিরে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছিল। সেই ঘটনার রেশ কাটতে না কাটতেই আবারও নতুন অভিযোগ সামনে এল। এবার স্ট্রেচার না পাওয়ায় এক রোগীর মৃত্যুর অভিযোগ তুলেছেন পরিবারের সদস্যরা। মৃতের নাম বিশ্বজিৎ সামন্ত। হাসপাতালের অব্যবস্থার কারণেই এই মৃত্যু হয়েছে বলে দাবি পরিবারের। মাত্র বাহাত্তর ঘণ্টার মধ্যে এই নিয়ে দুজনের মৃত্যুর ঘটনায় প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে হাসপাতালের পরিষেবা নিয়ে।নিমতার বাসিন্দা বিশ্বজিৎ সামন্ত বুকে ব্যথা নিয়ে ভোর রাতে হাসপাতালে ভর্তি হন। পরিবারের দাবি, ভর্তি হওয়ার পর চিকিৎসা শুরু হয়েছিল। কিছুক্ষণ পরে তিনি শৌচালয়ে যেতে চান। তখন তাঁকে জানানো হয়, কাছাকাছি শৌচালয় নেই, প্রায় একশো মিটার দূরে যেতে হবে। পরিবারের অভিযোগ, সেই সময় তাঁরা স্ট্রেচার চেয়েও পাননি। বাধ্য হয়ে অসুস্থ অবস্থাতেই হেঁটে যেতে হয় তাঁকে।পরিবারের দাবি, শুধু হেঁটে যাওয়াই নয়, শৌচালয়ে পৌঁছতে গিয়ে তাঁকে সিঁড়ি দিয়ে উপরে উঠতেও হয়। কিন্তু শৌচালয়ে পৌঁছনোর আগেই তিনি অচৈতন্য হয়ে পড়েন। পরে তাঁকে দ্রুত জরুরি বিভাগে নিয়ে যাওয়া হলে চিকিৎসকেরা মৃত বলে ঘোষণা করেন। পরিবারের অভিযোগ, বারবার অনুরোধ করলেও হাসপাতালের কেউ তাঁদের সাহায্য করেনি।এই ঘটনার পর হাসপাতাল চত্বরে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। পরিবারের সদস্যরা অভিযোগ করেন, গুরুতর অসুস্থ অবস্থায়ও স্ট্রেচার দেওয়া হয়নি বলেই এই মৃত্যু হয়েছে। হাসপাতালের অব্যবস্থাকেই দায়ী করছেন তাঁরা।এই ঘটনাকে ঘিরে একাধিক প্রশ্ন তুলেছেন বিশেষজ্ঞরা। কেন গুরুতর অসুস্থ একজন রোগীকে এত দূরের শৌচালয়ে যেতে বলা হল, কেন তাঁকে হেঁটে যেতে বাধ্য করা হল, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে। যদিও এই বিষয়ে এখনও পর্যন্ত হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের কোনও প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক প্রতিক্রিয়াও শুরু হয়েছে। বিজেপি নেতা দিলীপ ঘোষ বলেন, রাজ্যের হাসপাতালগুলির অবস্থা অত্যন্ত খারাপ এবং সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা নিয়ে বড় প্রশ্ন উঠছে। তিনি সরকারের ভূমিকাও নিয়ে প্রশ্ন তোলেন।

মার্চ ২৩, ২০২৬
কলকাতা

এবার লোডশেডিং হয়ে যেতে পারে ভবানীপুরে! কর্মিসভা থেকে বিস্ফোরক বার্তা দিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়

গত পাঁচ বছর ধরে রাজ্যে রাজনৈতিক টানাপোড়েন চলছেই। সেই পরিস্থিতির মধ্যেই ভবানীপুরে দলের কর্মিসভায় নতুন করে উত্তেজনা ছড়ালেন তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee)। রবিবার কর্মীদের উদ্দেশে তিনি সতর্কবার্তা দিয়ে বলেন, ভোট মিটে গেলেই যেন কেউ বাড়ি না চলে যান, কারণ লোডশেডিং করে দেওয়া হতে পারে। একই সঙ্গে তিনি জানান, স্ট্রং রুমের ওপরেও কড়া নজর রাখতে হবে (Mamata Banerjee)।আসন্ন নির্বাচনে ভবানীপুর কেন্দ্রকে ঘিরে বিশেষ গুরুত্ব তৈরি হয়েছে। একুশ সালের মতোই এবারও এই কেন্দ্রে মুখোমুখি হচ্ছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee)এবং বিজেপি নেতা শুভেন্দু অধিকারী। এর আগে পূর্ব মেদিনীপুরের নন্দীগ্রামে তাঁদের মধ্যে সরাসরি লড়াই হয়েছিল। সেই নির্বাচনে অল্প ব্যবধানে মমতাকে হারিয়েছিলেন শুভেন্দু। পরে সেই ফল নিয়ে আদালতের দ্বারস্থ হন মমতা এবং লোডশেডিংয়ের অভিযোগও তোলেন।পাঁচ বছর পর আবারও ভবানীপুরে এই দুই নেতার লড়াই ঘিরে উত্তেজনা তুঙ্গে। এদিন কর্মিসভায় তৃণমূলের নেতা অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় কর্মীদের বলেন, অন্তত ষাট হাজার ভোটে জেতাতে হবে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে। তিনি সবাইকে আত্মতুষ্টি থেকে দূরে থাকার পরামর্শ দেন (Mamata Banerjee)।মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee) এদিন আরও বলেন, ভোটগ্রহণ শেষ হলেও সতর্ক থাকতে হবে। তাঁর কথায়, যেকোনও পরিস্থিতির জন্য প্রস্তুত থাকতে হবে এবং স্ট্রং রুমে নজর রাখা জরুরি। কেন্দ্র এবং বিজেপিকে আক্রমণ করে তিনি বলেন, তারা সাধারণ মানুষের জন্য গ্যাস দিতে পারে না, কিন্তু নির্বাচনের সময় টাকা বিলি করে। এছাড়া যদি ভোটার তালিকা থেকে কারও নাম বাদ যায়, তবে তৃণমূল আইনি সাহায্য করবে বলেও আশ্বাস দেন তিনি।ভোট শেষ হওয়ার পরেই তৃণমূলের পরবর্তী লক্ষ্য হবে দিল্লি অভিযান, ভবানীপুরের কর্মিসভা থেকেই সেই ইঙ্গিত স্পষ্ট করে দেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

মার্চ ২৩, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal